সিলেটের জিন্দাবাজারের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গলির এইচ আর গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী মো. মজিদ (৫০) নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি নগরের মিরাবাজার খাড়পাড়া মিতালী-৭১ এর বাসিন্দা। এ বিষয়ে মো. মজিদের স্ত্রী পান্না বেগম আজ রোববার সিলেট কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন । জিডি নম্বর ১২৩০।
পান্না বেগম জানান, ব্যবসায়ী মো. মজিদ গত শুক্রবার বিকেল ৫টায় মিরাবাজারের বাসা থেকে জিন্দাবাজারের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গলির এইচ আর গার্মেন্টসের উদ্দেশে বের হন। এ সময় ক্লায়েন্টকে দেওয়ার জন্য তার কাছে ৩ লাখ টাকা ছিল। তিনি রাতে বাসায় না ফিরলে তার মোবাইল ফোনে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে আত্মীয় স্বজনসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
তার শারীরিক গড়ন মোটা, গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা ৫ ফুট, তিনি সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তার পড়নে আকাশি শার্ট ও ছাই কালারের গ্যাবাটিন প্যান্ট পরনে ছিল।
কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেলে ০১৭১২-৩০৩৭৩৪, ০১৬৩২-০৭১৭৭১ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে মো. মজিদের পরিবার।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুনু মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি থানায় গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখবো।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে