
সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জেলার হুমায়ুন কবীর এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উনাকে আজ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ওসমানীতে পাঠানো হয়েছে।’ তবে উনাকে হাসপাতাল পাঠানোর জন্য আদালত থেকে বলা হয়েছিল এবং তার আইনজীবীরাও আবেদন করেছিলেন বলে জানান তিনি।
এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায় তার নিজ বাড়ি হিজল করচ থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে তাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুপুরের দিকে সাবেক এমপি এমএ মান্নানকে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, উনার বুকে ইনফেকশন ছিল, এ ছাড়া ঘুম হয় না, পেটে সমস্যার ছাড়াও মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়ায় অনেক সময় উল্টা–পাল্টা কথা বলছেন। তাই উনাকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে