
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের ঘোষণার দুদিন পরই সিলেট রেলওয়ে স্টেশন এলাকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে এই অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানে রেলস্টেশনের সামনে বেশ কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বিপুল পুলিশও উপস্থিত ছিল।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক মাহমুদ কবীরের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানের শুরুতে তিনি অবৈধ স্থাপনা যাঁরা বসিয়েছেন, তাঁদের ২০ মিনিট সময় দেন সরিয়ে নেওয়ার জন্য। ২০ মিনিটের মধ্যে বিভিন্ন দোকান ও এসব অবৈধ স্থাপনার মালিকেরা তাঁদের মালপত্র সরিয়ে নেন। পরে বুলডোজার দিয়ে স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার সিলেট রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম ওই এলাকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কথা জানিয়েছিলেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে