
সরকারঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে ১৪ জানুয়ারি দেশব্যাপী হোটেল–রেস্তোরাঁ সেক্টরে কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিকেরা।
এই কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেটে বিক্ষোভ-মিছিল ও সমাবেশ করেছে হোটেল–রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকারঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ সিলেট জেলা শাখা। সিলেট নগরীর জালালাবাদ পার্কের সামনে সমাবেশ শেষে মিছিলটি কোর্ট পয়েন্ট, জিন্দাবাজার ও চৌহাট্টা হয়ে আম্বরখানা পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে সিলেট বিভাগীয় সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক মো. ছাদেক মিয়া সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন সিলেট জেলা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক আনছার আলী। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সিলেট জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রমজান আলী পটু, সংগ্রাম পরিষদ সিলেট জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক ইমান আলী, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ মহিদুল ইসলামসহ সংগঠনের নেতারা।
বক্তারা বলেন, হোটেল–রেস্তোরাঁশ্রমিকদের নেই চাকরির নিশ্চয়তা ও জীবনের নিরাপত্তা। প্রচলিত শ্রম আইন উপেক্ষা করে অনেক মালিক স্বেচ্ছাচারীভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে বর্তমান মজুরি দিয়ে শ্রমিকদের মাসের কয়েক দিন চলাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
তাঁরা আরও বলেন, শ্রমিকদের ধারাবাহিক আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ মে সরকার জাতীয় নিম্নতম মজুরি ঘোষণা করলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারঘোষিত নিম্নতম মজুরি বাস্তবায়ন, নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, ৮ ঘণ্টা শ্রমদিবসসহ শ্রম আইনের সব সুযোগ–সুবিধা কার্যকর করার দাবি জানানো হয়।
বক্তারা জানান, এসব দাবিতে সভা–সমাবেশ ও স্মারকলিপি দেওয়ার পরও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় শেষপর্যন্ত কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা। এরই অংশ হিসেবে ১৪ জানুয়ারি সারা দেশে হোটেল–রেস্তোরাঁ সেক্টরে কর্মবিরতি পালন করা হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে