সিলেটে নাশকতার মামলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আকরামকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-৯। মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি সিলেট সদর উপজেলা যুবলীগ নেতা আকরামুল ইসলাম মান্না ওরফে আকরাম (৩০) সিলেটের শাহপরান (রহ.) থানার দলইপাড়ার হাবিব মিয়ার ছেলে। তিনি সিলেট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
র্যাব জানায়, গতকাল সোমবার রাতে সিলেটের শাহপরান (রহ.) থানাধীন নোয়াগাঁও এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসএমপির কোতোয়ালি মডেল থানার একটি মামলার এজাহার নামীয় একজন পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া, ওই মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র্যাব-৯, সিলেটের চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে