
সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদীর তীর কেটে বালু লুটের অভিযোগে ৮১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এতে ৫১ জনের নামোল্লেখ ও ৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার তাহিরপুর থানায় যাদুকাটা নদী-১-এর ইজারাদার মো. নাছির মিয়ার পক্ষে মোশারফ হোসেন নামের এক ব্যক্তি মামলাটি করেন। এজাহারে ইজারার বাইরের স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়। তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন তাহিরপুর উপজেলার লাউড়েরগড় গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে আলহাজ মিয়া (৪৫); জাহিদ মিয়ার ছেলে শাহজাহান মিয়া (৪০); বিল্লাল আমিনের ছেলে হেনাজ মিয়া (৪২); জালাল মিয়ার ছেলে আলমগীর মিয়া (৩৯); সুলতান আমিনের ছেলে নোরাঙ্গীর আলম (৩৮) ও শাহাদুল আলম (৩৪); আফজল উদ্দিনের ছেলে নারজুল হোসেন (৩৫), পারভেজ (৩০) ও কবির মিয়া (৩৪); জাহিদ মিয়ার ছেলে শাহিন আলম (৩৫); ফানা উদ্দিনের ছেলে এহিবুল আলম (২৯); আবুল হোসেনের ছেলে সুর আলম (৪০); হজ্জিল মিয়ার ছেলে নজির হোসেন (৩৩); সাইতু মিয়ার ছেলে শফিকুল মিয়া (৫৫); তাজুল উদ্দিনের ছেলে রুস্তম মিয়া (৫০); আমু মিয়ার ছেলে আব্দুল মন্নান (৪৪); হেদায়েত আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী (৫০) ও হুমায়ুন মিয়া (৪৫); কিবরিয়া মিয়ার ছেলে আব্দুল কাইয়ুম খেলু মাস্টার (৬০); আবুল কাসেমের ছেলে খাজা মাইনুদ্দিন (৬৫); কাছম আলীর ছেলে আব্দুর রহমান (৫০); আব্দুল খালেকের ছেলে মজিবুর (৫৫); মনর উদ্দিনের ছেলে হৃদয় মিয়া (২৭); জুনায়েদ (পিতা অজ্ঞাতনামা); ময়দর আলীর ছেলে রফিকুল (৫৫) এবং মকবুল মিয়ার ছেলে আবু বক্কর (৪৫)।
আরও রয়েছেন পুরান লাউড় গ্রামের রহম আলীর ছেলে মোস্তফা মিয়া (৫০) ও তাঁর ছেলে মাইনুদ্দিন (২২); উসমান গনির ছেলে অমর গনি (৪০); সুরুজ মিয়ার ছেলে শাহ আরফিন (৪০); খুরশিদ মিয়ার ছেলে আজগর আলী (৪২); মমিন মেম্বারের ছেলে বাচ্চু মিয়া (৪৫); শুক্কুর মাসুদের ছেলে শিপন, শোভন ও শাহান শাহ।
ছড়ারপাড় গ্রামের মছন আলীর ছেলে আব্দুল মান্নান (৪৫); আরব আলীর ছেলে এখলাছুর (৪২); মাতু মিয়ার ছেলে আক্কাছ আলী (৩৯) এবং রহম আলীর ছেলে হেলাল মিয়া। সাহিদাবাদ গ্রামের মৃত নোয়াজ আলীর ছেলে মহরম আলী (৬০); মো. রুপ আলীর ছেলে মোবারক হোসেন (৩৮); মমিন মেম্বারের ছেলে আসাদ মিয়া (৫৫) ও সাবিকুল (৪২)। শিমুলতলা গ্রামের মৃত নূরুল ইসলামের ছেলে সোহান মিয়া (৩২), আলাল উদ্দিনের ছেলে সুমন মিয়া (৩৪) ও জুয়েল মিয়া (২৭)। ঘাগটিয়া গ্রামের নূর কালামের ছেলে আন্তারুল (৪৫) ও আব্দুল মান্নানের ছেলে মাসুদ রানা (৪০)। ঢালারপার গ্রামের আলী নূরের ছেলে বিল্লাল মিয়া (৫০)। এ ছাড়া রয়েছেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মিয়ারচর গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন ডালিম (৩৮) ও মনোয়ার হোসেন অলিম (২৮)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, যাদুকাটা নদী-১ ইজারা করা জায়গা লাউড়েরগড় বিজিবি ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী ইজারাবহির্ভূত স্থানে সরকারি খাস জলাভূমি ও নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এ মামলা হয়েছে।
তাহিরপুর থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নদীর তীর কাটার বিরুদ্ধে ইজারাদারের পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার মামলা হয়েছে। একই দিনে চারজনের বিরুদ্ধে আরেকটা মামলা হয়। যাদুকাটা নদীর পরিবেশ এখন শান্ত। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ধরতে আমাদের আইনি কার্যক্রম চলমান আছে।’

তিন দিন ধরে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবন্ত জাহাজটির পাশে একটি ডিঙি নৌকায় তাঁর ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনেরা।
৪ মিনিট আগে
প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
১ ঘণ্টা আগে
সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘অভিযুক্তের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশও ওই বিরোধকে তদন্তের অন্যতম বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে। তেজ বড়ুয়া গ্রেপ্তার হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো। আমি কঠিন শাস্তি দাবি করছি।’
১ ঘণ্টা আগে
মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ভ্রূণ হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সেগুলো আড়াল করার উদ্দেশ্যে অপহরণের গল্প প্রচার করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে