
সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হেমায়েত উদ্দিন জামিন মঞ্জুরের এ আদেশ দেন।
বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট খায়রুল কবির রুমেন। তিনি জানান, এম এ মান্নানের আইনজীবীরা আজকে আবারও জামিন আবেদন করলে বিচারক তাঁকে জামিন দেন।
এমএ মান্নানের পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. আব্দুল হামিদ বলেন, সুনামগঞ্জে হওয়া একটি মামলায় এমএ মান্নান ২১ দিন ধরে জেল হাজতে রয়েছেন। তিনি বয়োজ্যেষ্ঠ অসুস্থ মানুষ। চলাফেরাতে করতে অক্ষম। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। হুইল চেয়ারে চলাফেরা করেন। মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত। বয়স ও অসুস্থতা বিবেচনায় মাননীয় আদালত বিশ হাজার টাকার মুচলেকায় জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি।’
আব্দুল হামিদ আরও বলেন, অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে গতকাল বিচারকের কাছে জামিন আবেদন জানানো হয়। এ সময় বিচারক আজ বুধবার শুনানির দিন ধার্য করেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে