বন্যায় ভিটে-মাটি হারিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করা সিলেট-সুনামগঞ্জের বানভাসি মানুষের পাশে ঈদের মাংস ও খাদ্য সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি এ তথ্য জানান।
খন্দকার মুনিফ তকি বলেন, ‘বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দেশের সমুদ্রসীমা এবং উপকূলীয় এলাকার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা দুর্গত এলাকায় মানুষের জীবিকা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বন্যার শুরু থেকে তাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।’
খন্দকার মুনিফ তকি আরও বলেন, ‘গত ৯ জুলাই পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে সিলেট সুনামগঞ্জে বন্যা দুর্গত ১ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী—সেমাই, চিনি, চাল, পেঁয়াজ, আলু, ডাল ও তেল বিতরণ করা হয় এবং গত ১০ ও ১১ জুলাই ও আজ মঙ্গলবার সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা দুর্গত আরও ২ হাজার পরিবারের মাঝে কোরবানি গরুর মাংস বিতরণ করা হয়।’
কোস্টগার্ডের এই জনসংযোগ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সিলেট-সুনামগঞ্জ এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না আসা পর্যন্ত কোস্টগার্ডের ত্রাণ বিতরণসহ সকল ধরনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে