
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি লায়েক মিয়াকে হত্যার ঘটনায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় ছাতক পৌরসভার প্যানেল মেয়র তাপস চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুছ শিবলু, স্থানীয় সংসদ সদস্যের ভাতিজা তানভীর রহমানসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে নিহতের ভাই আজিজুল ইসলাম ছাতক থানায় এ মামলা করেন। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাইনুল জাকির মামলার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন যুবলীগ নেতা সাদমান মাহমুদ সানি, সাবেক জামায়াতের নেতা আলা উদ্দিন, আবুল খয়ের টুটুল, তাজ উদ্দিন, মিজান মিয়া, আব্দুল মতিন, শামসুল ইসলাম, মিলন মিয়া, এশাদ আলী, সায়মন, মহসিন ও সৌরভ।
গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ছাতক থানাসংলগ্ন গণেশপুর খেয়াঘাট এলাকায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে খুন হন উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি লায়েক মিয়া। তিনি ছাতক পৌর শহরের মণ্ডলীভোগ এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল ৫টায় নিউমার্কেটের ১নং গেটের সামনে গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ। জুলাই আন্দোলনের মিছিল সমাবেশে গুলিতে ওই সময় বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হন।
১ মিনিট আগে
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়ার সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা পদ্মরাগ ট্রেনটি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জের দেওয়ানতলা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে এক নারী চলন্ত ট্রেনে নিচে লাফ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
৩১ মিনিট আগে
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে একটি অনলাইন প্রতারক চক্র ভুক্তভোগী বাদীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন ধাপে টাকা বিনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করে।
১ ঘণ্টা আগে
সকালে দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ করলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় দুপক্ষের ১০ জন আহত হয়। ভাঙচুর ও লুটপাট চলে ১২টি বসতঘরে।
১ ঘণ্টা আগে