সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মুদিদোকানির ১ মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩ টাকা। এই অস্বাভাবিক বিল দেখে হতবাক হন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তালম ইউনিয়নের তালম খাসপাড়া গ্রামে।
জানা যায়, তালম খাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. নজিবর রহমানের ছেলে মো. আব্দুল হাকিম পেশায় একজন মুদিদোকানি।
আজ রোববার (২২ জুন) দুপুরে তাঁ কাছে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-১ এর আওতায় তাড়াশ জোনাল অফিস থেকে মে মাসের বিল দিয়ে আসেন পল্লী বিদ্যুতের একজন বিলিং সহকারী। বিল হাতে তিনি দেখতে পান, তাঁর নামে বিল এসেছে ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩ টাকা।
এই বিল দেখে তিনি আশ্চর্য হয়ে যান। মো. আব্দুল হাকিম বলেন, বিল পেয়ে তিনি পল্লী বিদ্যুতের তাড়াশ জোনাল অফিসে ফোন করে অস্বাভাবিক বিল সম্পর্কে জানতে চান।
এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। তাড়াশ পল্লী বিদ্যুতের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. শামসুজ্জামান বলেন, ‘এটি মূলত ‘প্রিন্ট মিসটেক’। আমরা জানার পরপরই বিলটি সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে