
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান মোছা. শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগের মামলায় সমন জারি করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ কামারখন্দ থানা আমলী আদালতের বিচারক মো. আলমগীর হোসেন এ আদেশ দেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী মঞ্জরুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বাদী মো. রাজ সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি গত ২৫ আগস্ট ২০২১ সালে বাদী হয়ে প্রতারণা ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগে মামলা করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মো. রাজ ইভ্যালি থেকে ২০২১ সালের ৪ মে পণ্যের ক্রয়াদেশ দেন। ইভ্যালির নীতিমালা অনুযায়ী ক্রয়াদেশের ৭ থেকে ৪৫ কর্মদিবসের মধ্যে পণ্য সরবরাহ করার কথা। সে অনুযায়ী সময়সীমা অতিক্রম করলেও পণ্য ডেলিভারি দেওয়া হয়নি। পরে তিনি বাদী হয়ে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান মোছা. শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিরাজগঞ্জের ওপর দায়িত্ব দেন। আদালতে আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পিবিআই সিরাজগঞ্জ ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বাদীর আনীত অভিযোগের প্রাথমিকভাবে সত্যতা পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
কামারখন্দ থানা আমলি আদালতের বিচারক মো. আলমগীর হোসেন তদন্ত প্রতিবেদন আমলে গ্রহণ করে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন বিরুদ্ধে স্ব-শরীরে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।
বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী মঞ্জরুল ইসলাম সোহাগ বলেন, ‘পিবিআই তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য–প্রযুক্তি ব্যবহার ও বাদীর প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণ বিবেচনায় পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন। বাদীপক্ষ তদন্ত প্রতিবেদনের প্রতি সন্তুষ্ট। আদালত অপরাধ আমলে গ্রহণ করে আসামিদের সশরীরে আদালতে হাজির হতে আদেশ দিয়েছেন।’

যশোরের মনিরামপুরে আরিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ মাছের ঘেরে ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বালিধা এলাকার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকালে মনিরামপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে।
৩ মিনিট আগে
নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে