২৬ টুকরা লাশ

ঢাকায় খুন হওয়া ব্যবসায়ী আশরাফুল হকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৮টায় জানাজা শেষে তাঁর লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে তাঁর লাশ রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর নয়াপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে পৌঁছায়।
আশরাফুল কাঁচামাল ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি দানের জন্য স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাইকোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের সামনে নীল রঙের ড্রাম থেকে আশরাফুলের ২৬ টুকরা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার নিহতের ছোট বোন আনজিলা বাদী হয়ে আশরাফুলের বন্ধু ফরেজুল ইসলাম জরেজকে প্রধান আসামি করে ঢাকার শাহবাগ থানায় মামলা করেন।
দাফনের পর আজ শনিবার সকালে আশরাফুলের বাবা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘কী দোষ ছিল মোর ছইলের? তাকে ঢাকাত নিয়া যায়া টুকরা টুকরা করিলো জরেজ ও তার প্রেমিকা। মুই বাঁচি থাকতে ওদের ফাঁসি দেখতে চাও। তাহলে মোরিও কিছুটা শান্তি পাইম।’
আশরাফুলের স্ত্রী লাকী বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীর কোনো শত্রু ছিল না। এলাকার মানুষ তাঁকে খুব ভালো বাসতেন। কেউ আর্থিক বিপদে পড়লে স্বামীর কাছে আসতেন। তিনি কখনই কাউকে খালি হাতে ফেরত দিতেন না। এই ভালো মানুষটাকে কেন মারলো জরেজ? ও যে তার বন্ধু ছিল?’
মা এছরা খাতুন বলেন, ‘একমাত্র ছেলেসন্তান ছিল আশরাফুল। সে প্রতিদিন আমাদের দুই মানুষের খোঁজখবর নিতেন। চিকিৎসার ওষুধ পাতি আনতেন। এখন কে নিবে খোঁজখবর? কে এনে দিবে ওষুধপাতি?’ এছরা খাতুন বলেন, ‘সন্তানের এই করুণ পরিণতি দেখার আগোত আল্লাহ কেন মোর মৃত্যু করল না।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে