দুই বছরের ব্যবধানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের নগদ অর্থ ও মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে একই সময়ে তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নগদ টাকা কমেছে। এ ছাড়া জি এম কাদেরের নামে ১২টি ফৌজদারি মামলা তদন্তাধীন আছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে।
হলফনামা অনুযায়ী রংপুর-৩ (সদর ও ১০ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড সিটি) আসন থেকে নির্বাচন করবেন জি এম কাদের। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জি এম কাদের এই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
হলফনামায় পেশা হিসেবে জি এম কাদের নিজেকে রাজনীতিবিদ ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এবং স্ত্রী শেরীফা কাদের সংগীতশিল্পী ও ব্যবসা উল্লেখ করেছেন। তাঁর কৃষি জমি না থাকলেও নিজের ও স্ত্রীর নামে লালমনিরহাট এবং ঢাকায় রয়েছে বাড়ি। যার বর্তমান মূল্য ২ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জি এম কাদেরের নগদ ছিল ৬০ লাখ ৩২ হাজার ৪০৫ টাকা। দুই বছর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর নগদ ছিল ৪৯ লাখ ৮৮ হাজার ২৫৩ এবং একাদশ সংসদে নগদ ছিল ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৩ টাকা। দুই বছর আগে স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নগদ টাকার পরিমাণ ছিল ৫৯ লাখ ৫৯ হাজার ৫৬৩; তবে এবার কমে গিয়ে হয়েছে ৪৮ লাখ ৯০ হাজার ৯৩৮ টাকা। এর আগে একাদশ সংসদ নির্বাচনে জি এম কাদেরের স্ত্রীর নগদ ছিল ২৭ লাখ ৬৪ হাজার ৭০১ টাকা। দুই বছর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় হলফনামায় গাড়ির যে দাম উল্লেখ করেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেওয়া হলফনামায় ওই দাম উল্লেখ করা হয়েছে। কৃষি, বাড়ি ভাড়া, ব্যবসা থেকে আয় নেই। তবে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে প্রাপ্ত ভাতা থেকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা, শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক জামানত থেকে নিজের ১ লাখ ৯০ হাজার ও স্ত্রীর ৭৯ হাজার ৭৪১ টাকা এবং স্ত্রীর ব্যবসা থেকে ৬ লাখ টাকা আয় দেখানো হয়েছে। নিজ নামে সঞ্চয়পত্র/ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে ৪০ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৬৮ টাকা। জি এম কাদেরের অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর সম্পদের মূল্য ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। লালমনিরহাট ও ঢাকায় জি এম কাদেরের নামে থাকা বাড়ির মূল্য ১ কোটি ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর ঢাকার বাড়ির মূল্য ৭০ লাখ টাকা। তাঁর নামে ফৌজদারি মামলা আছে ১২টি, যা তদন্তাধীন এবং ব্যক্তিগত ঋণের পরিমাণ ১২ লাখ টাকা।
জি এম কাদের ছয়বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে একবার পরাজিত হন। লালমনিরহাট-৩ আসন থেকে ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন। তবে ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি ওই আসন থেকে জয়ী হতে পারেননি। রংপুর-৩ আসন থেকে তিনি ২০০১ ও ২০২৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তিন দিন ধরে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবন্ত জাহাজটির পাশে একটি ডিঙি নৌকায় তাঁর ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনেরা।
৩ মিনিট আগে
প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
১ ঘণ্টা আগে
সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘অভিযুক্তের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশও ওই বিরোধকে তদন্তের অন্যতম বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে। তেজ বড়ুয়া গ্রেপ্তার হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো। আমি কঠিন শাস্তি দাবি করছি।’
১ ঘণ্টা আগে
মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ভ্রূণ হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সেগুলো আড়াল করার উদ্দেশ্যে অপহরণের গল্প প্রচার করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে