Ajker Patrika

বাঘায় নিখোঁজের এক দিন পর পুকুরে মিলল চা-বিক্রেতার মরদেহ

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি      
বাঘায় নিখোঁজের এক দিন পর পুকুরে মিলল চা-বিক্রেতার মরদেহ
প্রতীকী ছবি

রাজশাহীর বাঘায় নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর পুকুর থেকে সানাউল্লাহ (৪৫) নামে এক চা-বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের মনিগ্রাম টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজর পুকুর থেকে সানাউল্লাহ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সানাউল্লাহ উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের তুলসীপুর গ্রামের মৃত খলিল উদ্দিন সরকারের ছেলে। প্রায় দুই বছর আগে তিনি এ এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। এর আগে তাঁর বসতভিটা ছিল বড় হাবাসপুর এলাকায়।

নিহতের স্ত্রী বুলুয়ারা বেগম জানান, রাতে দোকান থেকে বাড়ি ফেরার সময় সানাউল্লাহ তাঁকে ফোন করে বাড়ির বাইরে আসতে বলেন। তিনি বাইরে গিয়ে তাঁর স্বামীর ফোনের টর্চলাইটের আলো দেখতে পান। কিন্তু রাস্তা পার হওয়ার আগেই হঠাৎ আলো নিভে যায়। পরে তাঁকে বারবার ফোন করলেও আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, এলাকার কয়েকজনকে নিয়ে সানাউল্লাহকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মনিগ্রাম টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজর পুকুরের পাশে সানাউল্লাহর স্যান্ডেল ও ব্যাগ পাওয়া দেখতে পায়। কিন্তু সানাউল্লাহকে পাওয়া যায়নি। এরপর থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে খোঁজাখুঁজি করে। ভোররাতে পুকুরে জাল ফেলে অনুসন্ধান চালালে সেখান থেকে সানাউল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশী সলেমান হোসেন ও রাজুর সঙ্গে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল তাঁদের। এ নিয়ে একাধিক সালিস হয়েছে। এর জেরে প্রতিপক্ষরা সানাউল্লাহকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দিতে পারে।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনসহ জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত