
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় জমিতে সেচ দিতে গিয়ে আলতাফ শাহ (৫২) নামের এক কৃষক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর জমিতে মগজসদৃশ এক টুকরা মাংস এবং কিছুটা দূরে রাস্তায় ফোঁটা ফোঁটা রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
আজ সোমবার ফসলের জমিতে গিয়ে আলতাফের মগজসদৃশ বস্তু দেখা যায়। খুনের পর তাঁর লাশ গুম করা হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা শঙ্কা করছেন।
আলতাফ শাহের বাড়ি মোহনপুর উপজেলার ধুরইল মণ্ডলপাড়া গ্রামে। পার্শ্ববর্তী সরকার পুকুর মাঠে তিনি নিজের জমি চাষ করেন। গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে তিনি জমিতে সেচ দিতে যান। আলতাফের জমির পাশেই তাঁর চাচাতো ভাই শরিফুল ইসলামেরও জমি। ওই রাতে তিনিও জমিতে সেচ দিতে গিয়েছিলেন। শরিফুলের বাড়িটি তালাবদ্ধ দেখা যাচ্ছে। বাড়িতে কেউ নেই।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ‘রাতে দুই চাচাতো ভাই একসঙ্গে জমিতে সেচ দিতে গিয়েছিলেন। তারপর দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক ব্যক্তি এসে তাঁদের দুজনকে থামিয়েও দেন। তারপর দুই চাচাতো ভাইকে রেখে তিনি চলে গেছেন। পরে কী হয়েছে বলা যাচ্ছে না।’
ওসি আরও জানান, রাতে আলতাফ শাহ বাড়ি না ফিরলে সকালে পরিবারের লোকজন জমিতে আসেন। তাঁরা জমির একটি জায়গায় মগজের মতো একটি মাংস দেখতে পান। এ ছাড়া পাশে পুকুরের পাড় দিয়ে যাওয়া একটি রাস্তায় ফোঁটা ফোঁটা রক্তের দাগ খুঁজে পান তাঁরা। এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হলে অনেক মানুষ মাঠে ভিড় করতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশও যায়।
আতাউর রহমান বলেন, ‘জমিতে পাওয়া মাংস খণ্ড আমার কাছেও মগজ মনে হয়েছে। কিন্তু পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আমরা এটা পরীক্ষার জন্য পাঠাব। আলতাফ বেঁচে আছেন, নাকি মারা গেছেন, তা এখনো বলা যাচ্ছে না। হয় জীবিত, না হয় মৃত। আমরা খুঁজছি। তাঁর চাচাতো ভাই শরিফুলকেও খোঁজা হচ্ছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে