Ajker Patrika

পাবনায় শিক্ষার্থী শিমুল হত্যা মামলায় ২ আসামি গ্রেপ্তার

পাবনা প্রতিনিধি
র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার শিক্ষার্থী শিমুল হত্যা মামলায় দুই আসামি। আজ সোমবার দুপুরে পাবনা র‍্যাব কার্যালয়ে। ছবি: আজকের পত্রিকা
র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার শিক্ষার্থী শিমুল হত্যা মামলায় দুই আসামি। আজ সোমবার দুপুরে পাবনা র‍্যাব কার্যালয়ে। ছবি: আজকের পত্রিকা

পাবনায় শিক্ষার্থী শিমুল মালিথা (২১) হত্যাকাণ্ডের মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গতকাল রোববার রাতে রাজশাহী থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সদর উপজেলার চরঘোষপুর গ্রামের আকাশ সর্দার (২৮) ও একই গ্রামের সাব্বির সর্দার (২৫)। এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর রাতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শিমুল মালিথা হত্যা মামলায় এ নিয়ে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।।

র‍্যাব-১২ পাবনার কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান আজ সোমবার বিকেলে এসব তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত রোববার রাত ১১টার দিকে রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব সদস্যরা।

গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে আকাশ সর্দার ওই হত্যা মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামি এবং সাব্বির সর্দার ৪ নম্বর আসামি। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাঁদের সোমবার দুপুরে পাবনা সদর থানায় হস্তান্তর করে র‍্যাব।

গত ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চরঘোষপুর সরদারপাড়া এলাকায় ইসলামি জলসা চলার সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় শিমুল মালিথাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাত ১১টার দিকে মারা যায়।

নিহত শিমুল মালিথা চরঘোষপুর গ্রামের শাহীন মালিথার ছেলে। তিনি পাবনা জিলা স্কুলের এসএসসি ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ বছর সরকারি শহিদ বুলবুল কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, নিহত শিমুলের বাবা শাহীন মালিথা বাদী হয়ে রোববার রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ২৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে পুলিশ ৬ ডিসেম্বর রাতেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন চরঘোষপুর সরদারপাড়া গ্রামের খলিল সর্দার (৫৫), একই গ্রামের শান্ত হোসেন (২৫) ও মিঠু হোসেন (৩০)। পরে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত