রাজশাহীতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায়। বরাবরের মতো এবারও রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম রূপোশ (র.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে ঈদের দিন আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে একই সময়ে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে হজরত শাহ মখদুম রূপোশ (র.) দরগা মসজিদে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহা. সবুর আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদের প্রধান জামাতের জন্য পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে। ঈদের দিন নামাজের আগে মুসল্লিদের সঙ্গে সেখানে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ও বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ।
জেলা পর্যায়ের সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঈদুল ফিতর উদ্যাপনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদেরও (ইউএনও) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজশাহীর অন্য ঈদগাহগুলোতে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যেই ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

চন্দনাইশের ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিরিংঘাটা পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে খননযন্ত্র (ড্রেজার) মেশিন বসিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করছে অসাধু ব্যক্তিরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু তুলে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
২৩ মিনিট আগে
ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মনে নেই উৎসবের আনন্দ। আছে শুধু লোকসানের হিসাব আর অনিশ্চয়তার দীর্ঘশ্বাস। মাঠজুড়ে কষ্টে ফলানো আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৫-১৬ টাকা, সেখানে বাজারদর নেমে এসেছে ৯-১০ টাকায়; তা-ও মিলছে না ক্রেতা।
১ ঘণ্টা আগে
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, টাকার অভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে না। কেউ সংকটে পড়লে তা প্রশমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বিরামপুরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘নদীর কোল ঘেঁষে চাঁদপুর জেলা গড়ে উঠেছে। তাই খাল খননের পাশাপাশি নদীগুলো রক্ষা করতে হবে। নদী রক্ষা না হলে নদীর পাশের জেলাগুলো বিপদে পড়বে। আর এসব নদী থেকে পরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন না করলে বসতি ভেঙে নদীতে যাবে।
৩ ঘণ্টা আগে