এশিয়ান গেমস বক্সিংয়ে ৮১ কেজি হেভিওয়েটে ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র ব্রোঞ্জ পদক জেতেন মোশাররফ হোসেন। এ অর্জন ১৯৮১ সালের। তারপর টানা ১০ বছর ছিলেন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন। দেশের অন্যতম সেরা এই ক্রীড়াবিদ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে এখন রাজশাহী নগরীর তালাইমারিতে নিজ বাড়িতেই চিকিৎসাধীন।
আর্থিক অনটনে সংসার চালানোয় যখন কষ্টকর, তখন তাঁর কাছে চিকিৎসা যেন বিলাসিতা। অসহায় অবস্থায় বাড়িতেই পড়ে ছিলেন। তাঁর চিকিৎসার দাবিতে আজ রোববার সকালে নগরীতে মানববন্ধন করে একটি সংগঠন। বিষয়টি জানতে পেরেই তাঁর বাড়িতে ছুটে যান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।
এ সময় মেয়রকে দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মোশাররফ হোসেন। বললেন, ‘মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন ভাই ছাড়া আমার খোঁজখবর কেউ নেয়নি। তিনি খোঁজ নিতে আমার বাড়িতে এসেছেন, এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এর আগেও তিনি শহীদ কামারুজ্জামান ও জাহানারা জামান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দুইবার সহযোগিতা দিয়েছেন। মেয়র আমার পাশে আছেন, এতেই আমি অনেক আনন্দিত।’
মেয়র বক্সার মোশাররফ হোসেনের শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তাঁকে নগদ এক লাখ টাকা অর্থ সহায়তা করেন। এ ছাড়া মোশাররফ হোসেনের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতি মাসে তাঁকে ভাতা প্রদানের আশ্বাস দেন মেয়র। তিনি বলেন, ‘কিংবদন্তি বক্সার মোশাররফ হোসেন শুধু রাজশাহী নয়, পুরো বাংলাদেশের গর্ব। তিনি এশিয়ান গেমস পদক জিতেছেন, ১০ বার জাতীয় পর্যায়ে চাম্পিয়ন হয়েছেন। তিনি তাঁর ক্রীড়া নৈপুণ্য বাংলাদেশের জন্য কাজে লাগিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখন শারীরিকভাবে অসুস্থ। এখন তাঁর পাশে থাকা আমার দায়িত্ব।’
মেয়র আরও বলেন, ‘মোশাররফ হোসেনের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স বিধি অনুযায়ী মওকুফ করা হবে। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব। এ ছাড়া আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতি মাসে ভাতা প্রদান করা হবে। সব সময় তাঁর পাশে আছি, ভবিষ্যতেও থাকব।’
এ সময় রাসিকের ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তরিকুল আলম পল্টু, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে