
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে নির্বাচনী কর্মিসভায় যাওয়ার পথে আনারস প্রতীকের দুই সমর্থককে হাতুড়িপেটার অভিযোগ উঠেছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণবাড়ী গ্রামের গোরস্থানের পাশে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতদের বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন হামলায় দুজন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহতরা হলেন নবাবপুর ইউনিয়নের তেকাটি গ্রামের ছামাদ মন্ডলের ছেলে সালাম মন্ডল (৫৬) এবং একই গ্রামের মৃত কাশেম মন্ডলের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৫০)।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সালাম মন্ডল বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যার পর সোনাপুর বাজারে বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের আনারস প্রতীকের নির্বাচনী কর্মিসভা ছিল। আমি ও জাহাঙ্গীর ওই সভায় যাওয়ার পথে আরেক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এহসানুল হাকিম সাধনের সাত-আট জন সমর্থক মোটরসাইকেল প্রতীকের স্লোগান দিতে দিতে এসে হাতুড়ি দিয়ে আমাদের মাথা, ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় আমাদের উদ্ধার করে বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।’
আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি চারবার নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। তিনবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। ভোটাররা আমার পক্ষে থাকার কারণে নিশ্চিত পরাজয় জেনে ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এহসানুল হাকিম সাধন সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে একের পর এক আমার কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। প্রশাসনের কাছে আমি সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানাই।
অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এহসানুল হাকিম সাধন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছাড়ানো হচ্ছে। তাদের কর্মীরা অন্যভাবে আহত হলেও আমাদের কর্মীদের ওপরেই চাপানো হয়।’
বালিয়াকান্দি থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘হামলার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠাই। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

যশোরের মনিরামপুরে আরিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ মাছের ঘেরে ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বালিধা এলাকার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকালে মনিরামপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে।
৬ মিনিট আগে
নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে