দেশের সর্ববৃহৎ দৌলতদিয়া যৌনপল্লির মা ও শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা এ স্বাস্থ্যসেবা দেন।
উত্তরণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ ক্যাম্পের আয়োজন করে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ থেকে যৌনপল্লির পাশে অবস্থিত বেসরকারি সংগঠন পায়াকট বাংলাদেশ চত্বরে দিনব্যাপী এ ক্যাম্প পরিচালিত হয়। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন।
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে অংশ নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয়ের কনসালট্যান্ট (সার্জারি) ডা. ফাইম চৌধুরী সনি, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মিঠুন সরকার এবং আইসিডিডিআর, বির শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. নাসির উদ্দীন।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি স্বপন কুমার মজুমদারের সভাপতিত্বে ক্যাম্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. সালাউদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাঈনউদ্দিন চৌধুরী, উত্তরণ ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডক্টর এবিএম আসিফ কিবরিয়া, মোস্তফা মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক মো. সেলিম মুন্সি, পায়াকট বাংলাদেশ এর ম্যানেজার মজিবর রহমান জুয়েল প্রমুখ।
উত্তরণ ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডক্টর এবিএম আসিফ কিবরিয়া বলেন, ‘ডিআইজি হাবিবুর রহমান সমাজের পিছিয়ে পড়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে চলেছেন। এখানকার যৌনজীবী ও তাঁদের শিশুদের জন্যও দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের সেবা দেওয়া হচ্ছে এ ফাউন্ডেশন থেকে। এর অংশ হিসেবে আজকে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্প থেকে শতাধিক নারী ও শিশু সেবা গ্রহণ করে। অচিরেই এখানে বিশেষজ্ঞ গাইনি চিকিৎসক এনে এ ধরনের আরও ক্যাম্প করা হবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে