
পটুয়াখালীর বাউফল থানার মধ্যে পুলিশের সামনে বিএনপি ও যুবদলের দুই নেতাকে নিজ দলের কর্মীদের মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে পুলিশ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।
ভুক্তভোগী দুজন হলেন বাউফল পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা সবুজ ও পৌর যুবদলের সদস্যসচিব মো. মামুন খান।
অভিযোগ রয়েছে, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. পলাশ ও ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মো. ইমাম হোসেনের নেতৃত্বে ছয়-সাতজনের একটি দল দুজনকে মারধর করে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গসহ নানা অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হুমায়ন কবিরের ছেলে ইমাম ও পলাশ তাঁর ভাগনে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বাউফল উপজেলা ভূমি অফিস আল মদিনা জামে মসজিদের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা হুমায়ন ও যুবদল নেতা মামুন খানের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। একে কেন্দ্র করে গত শনিবার সকালে মামুন খানের পক্ষের মামুন রেজাকে হুমায়নের লোকজন মারধর করেন। এ ঘটনায় মামুন রেজা বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. এনায়েত হোসেন তাঁকে সাক্ষী নিয়ে থানায় যেতে বলেন।
মামুন রেজা সাক্ষী নিয়ে গতকাল রোববার রাতে থানায় যান। গিয়ে দেখতে পান অভিযুক্ত লোকজন আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছেন। পরে থানা থেকে বের হওয়ার সময় পুলিশের সামনে পলাশ ও ইমামের নেতৃত্বে একটি দল দুজনের জামার কলার ধরে কিলঘুষি মারতে মারতে প্রায় ২০০ ফুট দূরে থানার সীমানাপ্রাচীরের বাইরে নিয়ে যান এবং মেরে ফেলার হুমকি দেন।
মামুন রেজা বলেন, ‘ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দিই, কিন্তু পুলিশ এজাহার গ্রহণ না করে অভিযুক্তদের পক্ষ নেয়। যে কারণে দলবল নিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা করার সাহস দেখিয়েছে। বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
মামুন খান জানান, সাক্ষী দিতে আসায় পুলিশের উপস্থিতিতে তাঁকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় আছেন।
জানতে চাইলে ইমাম বলেন, ‘মামুন খান আমার সম্পর্কে দাদা হন, পাশাপাশি বাড়ি। তাঁদের সঙ্গে মসজিদের জমি নিয়ে একটু ঝামেলা চলছে। এ নিয়ে গতকাল থানায় বসার জন্য গিয়েছিলাম, কিন্তু জেলা বিএনপির কাউন্সিল চলায় নেতারা আসেন, এ জন্য আর বসা হয়নি। তবে তিনি যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
মারধরের বিষয়ে বাউফল থানার এএসআই এনায়েত বলেন, পুলিশের সামনে নয়, থানার গেটের সামনে সড়কের ওপর এ ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান সরকার জানান, বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর ভুক্তভোগীদের মামলা দেওয়ার জন্য বলা হয়, কিন্তু তাঁরা আসেননি। এ কারণে পুলিশ সাধারণ ডায়েরি করে রেখেছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে