পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মহানন্দা নদীর চরে বালুচাপা দেওয়া অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের জায়গীরজোত এলাকায় মহানন্দা নদীর তীর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
শার্ট ও প্যান্ট পরা ওই ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে হত্যার পর নদীর চরে বালুচাপা দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, আজ সকালে মহানন্দা নদীতে পাথর উত্তোলনের জন্য যাওয়ার পথে লোকজন নদীর চরে রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখে। পাশে ভেজা বালু দেখতে পেয়ে বালু সরাতেই একটি হাত বেরিয়ে আসে। পরে পুলিশ ও বিজিবিকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তেঁতুলিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রবীর কুমার রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার পর নদীর চরে তাঁকে বালুচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। তাঁর পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে