
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আওয়াল কবির জয়কে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত বুধবার রেজিস্ট্রার অফিসের এক আদেশে এ কথা জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, ড. মো. আওয়াল কবির, সহকারী অধ্যাপক, সমাজকর্ম বিভাগ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া গত ৭ নভেম্বর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, বিভাগীয় আদেশ অমান্যকরণ ও মিথ্যা তথ্য প্রদান করে ভার্চুয়াল ক্লাসের অনুমতি গ্রহণের কারণে অসংগত আচরণ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনসংগত আদেশ অমান্যকরণ, কর্তব্যে অবহেলা প্রদর্শনজনিত কার্য সংঘটন ও পলায়নের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
তাঁর এহেন আচরণ সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮–এর বিধি ৩(খ)(গ) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮–এর বিধি ১২(১) অনুযায়ী অভিযুক্তকে চাকরি হতে সাময়িক বরখাস্ত করা সমীচীন মর্মে বিবেচিত হওয়ায় এতদ্বারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে ড. মো. আওয়াল কবিরকে চাকরি হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।
সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আওয়াল কবির জয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি তৎকালীন প্রশাসনের কাছে অনুমতি নিয়ে তিন মাসের জন্য অনলাইনে ক্লাস নেন।

নতুন প্রশাসন আসার পরে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার অনুমতি চাইলে সেটা দেওয়া হয়নি। ৭ নভেম্বর থেকে তিনি অলিখিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁকে কর্মস্থলে আসার জন্য প্রশাসন থেকে বলা হলেও তিনি আদেশ অমান্য করে ধারাবাহিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে