পাবনার বেড়ায় ভারতীয় চিনিবোঝাই ১২টি ট্রাক জব্দ করেছে পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় ট্রাকগুলোর চালক ও তাঁদের সহকারীসহ ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কাজীরহাট ফেরিঘাট এলাকা থেকে চিনিবোঝাই ট্রাকসহ তাঁদের আটক করা হয়।
পাবনার পুলিশ সুপার (এসপি) আকবর আলী মুন্সী এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভারতীয় চিনিবোঝাই ট্রাকগুলো আরিচা পার হয়ে পাবনার কাজীরহাট ঘাটে এলে ডিবি পুলিশ আটক করে। এ সময় তারা মালামালের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এরপর এগুলো জব্দ এবং ২৩ জনকে আটক করা হয়।
এসপি জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। এসব ট্রাকে অন্তত ২৪২ মেট্রিক টন চিনি রয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ভারতীয় চিনিবোঝাই ট্রাকগুলো সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্ত দিয়ে ঢুকে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছিল। মানিকগঞ্জের আরিচা ও পাবনার কাজীরহাট ঘাট হয়ে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে এসব চিনি সরবরাহ করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগে থেকে কাজীরহাট ঘাটে অবস্থান নিয়েছিল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে