
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পুকুরে ডুবে ইব্রাহিম ও নাদিম নামের দুই শিশু মারা গেছে। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই। আজ রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের রবিউল লালের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া শিশু দুটি হলে চৌধুরীহাট বাজারসংলগ্ন রবিউল লালের বাড়ির আবু সুফিয়ান সজীবের ছেলে ইব্রাহীম (৪) ও শরীফের ছেলে নাদিম হোসেন (৩।
জানা গেছে, সকালে দুই পরিবারের নারী সদস্যরা গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ওই সময় শিশু দুটি বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। একপর্যায়ে সবার অগোচরে দুজন পাশের পুকুরে পড়ে যায়। তাদের না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। পরে নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানে পুকুরে জাল ফেলে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক শিশু দুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, দুজনেই মারা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শাহাদাত হোসেন সাগর বলেন, ‘পুকুরে ডুবে যাওয়া দুই শিশুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনেরা।’
কোম্পানীগঞ্জ পরিদর্শক (তদন্ত) বিমল কর্মকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে