
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই বিএনপি নেতাকে হাতেনাতে আটক করেছে সেনাবাহিনী। তবে অভিযান টের পেয়ে তাঁদের সহযোগীরা পালিয়ে যান। গতকাল বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কেন্দুয়া পৌর শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মদন অস্থায়ী সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার লে. মো. শাহরিয়ার আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক দুই নেতাকে পরে থানায় করা চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসম্পাদক মো. আব্দুল আউয়াল খান (৬৫) ও পৌর শ্রমিক দলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আনিছুর রহমান কাদিল (৩৫)।
স্থানীয় লোকজন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকায় চলাচলকারী প্রতিটি বাস থেকে দলের নাম ভাঙিয়ে দুই হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করছিল একটি চক্র। স্থানীয়দের কয়েকজন চাঁদাবাজির এমন তথ্য-প্রমাণের ভিডিও ফুটেজ ও ছবি পাশের মদন সেনা ক্যাম্পে পাঠান। পরে বুধবার রাতে বাসস্ট্যান্ডে অভিযান চালান সেনাবাহিনীর সদস্যরা। চাঁদা তোলার সময় হাতেনাতে ওই দুজনকে আটক করা হয়।
সেনা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আহম্মেদ বলেন, চাঁদাবাজি করার সময় ওই দুজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা আরও কয়েকজন সহযোগীর নাম জানিয়েছেন। ওই নামগুলো পুলিশকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আটক দুজনকে থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় আটক দুজনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির মামলা দেওয়া হয়েছে। পরে দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে