
নাটোরে মোটরসাইকেলের সাইড লাইট ভাঙা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশীদের হামলায় আবুল কালাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তাঁর ছেলে কাউসার আলী (২৫) ও পরিবারের আরেক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নাটোর পৌরসভার কান্দিভিটা কদমতলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কালাম পেশায় রংমিস্ত্রি ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে কান্দিভিটা কদমতলা এলাকায় আবুল কালামের বাড়ির পাশে বাড়ি নির্মাণ করেন প্রতিবেশী আল হাফিজ। বাড়ি নির্মাণের সময় পৌরসভার নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যাপ্ত রাস্তা না রাখায় এ নিয়ে তখন থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
দুই দিন আগে নিজেদের গলিতে মোটরসাইকেল রেখে জরুরি কাজে বাড়িতে যান কাউসার। ওই সময় একই গলি দিয়ে আল হাফিজের বাড়িতে আসবাব নেওয়ার সময় কাউসারের মোটরসাইকেলের সাইড লাইট ভেঙে যায়। এই ঘটনায় কাউসারের মামা শাহীন হাফিজের পরিবারের কাছে অভিযোগ করলে তাঁরা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেন।
সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কাউসারের মামা শাহীন বাড়ির পাশের একটি চায়ের দোকানে চা পান করার সময় আল হাফিজ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাড়ির ভেতর থেকে ১৫-২০ জনকে নিয়ে হাতুড়ি, কিরিচ, শাবলসহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে শাহিনের ওপর হামলা চালান।
এ সময় বিষয়টি জানতে পেরে পাশের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন আবুল কালাম। তখন হামলাকারীরা তাঁকেও মারধর করেন এবং একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর বুকে আঘাত করেন। এ সময় ছেলে কাউসার ও পরিবারের আরেক সদস্য এগিয়ে এলে তাঁদেরও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আবুল কালামের মৃত্যু হয়। আহত কাউসার আলী ও পরিবারের আরেক সদস্য বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নাটোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সুব্রত ঘোষ বলেন, তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আবুল কালামের রক্তক্ষরণ বেশি ছিল।
ঘটনার পর অভিযুক্ত আল হাফিজসহ অন্যরা পলাতক রয়েছেন।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কয়েকজন বাসযাত্রী বলেন, যেখানে সিরাজগঞ্জগামী বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ে প্রায় ৩৫০ টাকা, সেখানে ঈদ উপলক্ষে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিছু পরিবহন মালিক।
৯ মিনিট আগে
৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী মুন্নি বেগম ও আল আমিন বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ কেজি করে চাল দিয়েছে। কিন্তু মেম্বার পাঁচজনকে ৩০ কেজির একটি বস্তা দিয়ে বলেছেন—এর বেশি নেই। আমরা গরিব মানুষ, তাই আর কিছু বলতে পারিনি।’
২৮ মিনিট আগে
ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি সাদুল্লাপুরে যাচ্ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গোবিন্দগঞ্জে প্রায়ই যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ঈদের সময় এই যানজট আরও ভয়াবহ হতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
মোসা. লাইজু বেগম নামের এক নারী ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে চাল নিতে আসেন। বেলা দেড়টার দিকে অনেক কষ্টে চাল নিয়ে বের হন তিনি। তাঁর ভাষ্য, পরিষদের ভেতরে প্রচুর ভিড় ও ঠাসাঠাসি ছিল। সকালে শিশু নিয়ে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর এক ব্যক্তির সহায়তায় কোনোমতে চাল নিতে পেরেছেন।
১ ঘণ্টা আগে