
পিরোজপুরের নেছারাবাদে দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছে। জনপ্রতি ১০ কেজি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ৯ কেজি করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন উপকারভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে চাল বিতরণের সময় এই ঘটনা ঘটে। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন না।
কহিনূর বেগম (৭০) নামের এক দিনমজুর নারী বলেন, তাঁদের ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা শুনেছেন। সকালে এসে দুপুরে ৯ কেজি চাল পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ভেতরে থেকে সাড়ে ৯ কেজি বললেও বাড়িতে দাঁড়িপাল্লায় মেপে দেখি ৯ কেজির একটু কম।’
মোসা. লাইজু বেগম নামের এক নারী ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে চাল নিতে আসেন। দুপুর দেড়টার দিকে অনেক কষ্টে চাল নিয়ে বের হন তিনি। তাঁর ভাষ্য, পরিষদের ভেতরে প্রচুর ভিড় ও ঠাসাঠাসি ছিল। সকালে শিশু নিয়ে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর এক ব্যক্তির সহায়তায় কোনোমতে চাল নিতে পেরেছেন। তিনি বলেন, ‘শুনেছিলাম ১০ কেজি দেবে, কিন্তু পেয়েছি ৯ কেজি।’
এদিকে ইরানি বেগম নামের আরেক দিনমজুর নারী অভিযোগ করেন, তিনি মানুষের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। অথচ তাঁকে একটি চালের স্লিপও দেওয়া হয়নি। তাঁর অভিযোগ, তাঁর চেয়ে সচ্ছল অনেকেই কার্ড পেয়েছেন।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. দিদারুল আলম জানান, ঈদ উপলক্ষে পরিষদে ১২ টন ৮৪০ কেজি চাল বরাদ্দ এসেছে। ১ হাজার ২৮৪ জনের মধ্যে জনপ্রতি ১০ কেজি করে বিতরণ হওয়ার কথা। তবে কেন ৯ কেজি দেওয়া হচ্ছে—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘৯ কেজি নয়, চেয়ারম্যান সাড়ে ৯ কেজি করে দিতে বলেছেন।’
ট্যাগ কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, চেয়ারম্যানের নির্দেশনা অনুযায়ী সাড়ে ৯ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। এতে কোনো অনিয়ম হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে জানতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পরিষদে পাওয়া যায়নি। ফোন করলেও তিনি ধরেননি।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

রাজশাহী মহানগরের চন্দ্রিমা থানা এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২১টি ককটেল ও কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে এসব বিস্ফোরক ও অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
১ ঘণ্টা আগে
কয়েকজন বাসযাত্রী বলেন, যেখানে সিরাজগঞ্জগামী বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ে প্রায় ৩৫০ টাকা, সেখানে ঈদ উপলক্ষে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিছু পরিবহন মালিক।
১ ঘণ্টা আগে
৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী মুন্নি বেগম ও আল আমিন বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ কেজি করে চাল দিয়েছে। কিন্তু মেম্বার পাঁচজনকে ৩০ কেজির একটি বস্তা দিয়ে বলেছেন—এর বেশি নেই। আমরা গরিব মানুষ, তাই আর কিছু বলতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি সাদুল্লাপুরে যাচ্ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গোবিন্দগঞ্জে প্রায়ই যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ঈদের সময় এই যানজট আরও ভয়াবহ হতে পারে।’
২ ঘণ্টা আগে