
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরমধুয়া ইউনিয়নের গাজীপুরা এলাকায় রফিকুল ইসলাম সরকার (৫০) নামের এক ব্যবসায়ী দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত রফিকুল ইসলাম সরকার ওই এলাকার হাজী মঙ্গল মিয়ার ছেলে। তাঁর স্ত্রী স্থানীয় ইউপি সদস্য।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রফিকুল ইসলাম বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা পেছন দিক থেকে গুলি করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দারা নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পরিবার-পরিজন ও স্বজনেরা হাসপাতালে ছুটে আসেন।
নিহত ব্যক্তির স্বজনদের অভিযোগ, সম্প্রতি গাজীপুরা এলাকার রিফাত, নয়নসহ কয়েকজনের সঙ্গে রফিকুলের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জেরে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
রায়পুরা থানা সূত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে পূর্ববিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৩৬ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে