
নরসিংদীর সদর উপজেলার উত্তর শিলমান্দীতে এনআর স্পিনিং মিলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে মিলের তুলার গুদামে হঠাৎ আগুন দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে মিলের ভেতরে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে নরসিংদী ও মাধবদী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে পলাশ ফায়ার সার্ভিসের আরও দুটি ইউনিট উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এরই মধ্যে মিলের ভেতরের প্রায় সবকিছু পুড়ে গেছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।
এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে ঘটেছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, তা এখনো জানা যায়নি।
নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক শিমুল মোহাম্মদ রফি বলেন, একাধিক ইউনিট প্রায় কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের কাজ চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে