নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে প্রতিবেশীর বিড়াল কবুতরের বাচ্চা খেয়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মারামারিতে আহত নাসির উদ্দীন নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে সাইনবোর্ডের প্রো-অ্যাকটিভ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ভিটিকান্দী গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে নাসির উদ্দীন মারা যায়।
নিহতের ভাই আক্তার হোসেন বলেন, গত রোববার কবুতরের বাচ্চা পাশের বাড়ির আসাদুল্লাহর বিড়াল খেয়ে ফেললে বিচার দিতে যাওয়ায় তাদের মারধর করে। এতে গুরুতর আহত হয় নাসির। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রো-অ্যাকটিভ হাসপাতালে ভর্তি করে। আজ দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
সোনারগাঁ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হাসান খান জানান, মারামারি ঘটনায় দুই দিন আগে সোনারগাঁ থানা একটি অভিযোগ করেন। আসামিরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আহত নাসির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে