
শেরপুরে ত্রিভুজ প্রেমের কারণে কলেজছাত্র সুমন হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জেলা আদালতের সামনে এসব কর্মসূচি হয়। পরে দোষীদের দ্রুত সময়ে গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নিহত সুমনের বাবা নজরুল ইসলাম, মা কল্পনা বেগম, জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মামুনুর রহমান, সদস্যসচিব শাহনুর রহমান সাইম, মুখপাত্র ফারহান ফুয়াদ তুহিন, জামায়াত নেতা মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা জানান, শেরপুর শহরের কসবা বারাকপাড়া নিমতলা এলাকার হতদরিদ্র কৃষক মো. নজরুল ইসলামের ছেলে ও শেরপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র সুমন এবং শহরের বাগরাকসা কাজীবাড়ী পুকুরপাড় এলাকার শিক্ষক মো. আজিম উদ্দিনের মেয়ে আন্নি আক্তার একসঙ্গে পড়ার সুবাদে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায়। কিন্তু আন্নি সুমনকে পাশ কাটিয়ে শহরের সজবরখিলা এলাকার পুলিশ সদস্য মো. ফোরকান আলীর ছেলে রবিনের সঙ্গেও সম্পর্ক গড়ে তোলে।
এদিকে আন্নি আক্তার গত ৪ নভেম্বর বিয়ের কথা বলে সুমনকে ডেকে রবিনের বাড়িতে নিয়ে হত্যা করে। এরপর কয়েকজনের সহযোগিতায় বাড়ির উঠানে তার লাশ মাটিচাপা দেয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গত বছরের ১১ নভেম্বর রাতে রবিনের বাড়ির উঠানের সবজি মাচার নিচে মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার করে।
ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রবিন, আন্নি ও তার বাবা আজিম মাস্টারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন রবিনের বাবা-মা ও আন্নির মা। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবি জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাবের রাফি আজকের পত্রিকাকে বলেন, পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটির তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে মামলার প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিকেও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তদন্তে আরও নাম উঠে এলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে