
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অবহেলায় ৫ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
আজ শুক্রবার সকালে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালে অবস্থান নেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. শামীম আক্তার নোমান।
মারা যাওয়া শিশুটির নাম ওয়ালিদ হাসান। সে উপজেলার শালীহর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে। বিল্লাল জানান, গত বুধবার দুপুরে ওয়ালিদের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। বিকেলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শামীম ভর্তি না করিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার আবারও বাচ্চাটির শ্বাসকষ্ট হলে তাকে সকালে হাসপাতালে আনা হয়। তখনো ওই চিকিৎসক একটি এক্স-রে করান ও কিছু ওষুধ দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যেতে বলেন। শিশুটিকে বাড়িতে আনার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে সন্ধ্যায় আবার হাসপাতালে নিয়ে আসেন তাঁরা। তখনো চিকিৎসক শিশুটিকে ভর্তি না করিয়ে আবার এক্স-রে করে ওষুধ লিখে দিয়ে বাড়িতে চলে যেতে বলেন।
এ সময় শিশুটির বাবা বিল্লাল চিকিৎসক শামীমকে বলেন, এখানে চিকিৎসা সম্ভব না হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে দিতে দেন। এ কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন চিকিৎসক। তিনি ধমক দিয়ে বলেন, ‘আপনারা কি আমার চেয়ে বড় ডাক্তার?’ পরে শুক্রবার ভোরে শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। পরে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিল্লাল বলেন, ‘চিকিৎসক যদি সময়মতো আমার ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে সঠিক চিকিৎসা দিতেন, তাহলে সে বেঁচে থাকত, মারা যেত না। আমি এই চিকিৎসকের বিচার চাই।’
শিশুটির স্বজন রুনা বলেন, ‘আমরা শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালে দুই দিন এলেও চিকিৎসক ভর্তি না করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। আমরা ময়মনসিংহে নিয়ে যেতে চাইলাম, সেখানেও যেতে দিলেন না; যে কারণে আমার ভাগনে মারা গেছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও এই চিকিৎসকের শাস্তি চাই।’
এ বিষয়ে জানতে চিকিৎসক শামীমের মোবাইল ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
যোগাযোগ করা হলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দিবাকর ভাট বলেন, শিশুটিকে আজ হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা যায়। ডাক্তারের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। দোষী সাব্যস্ত হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দিদারুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠানো হয়। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে