মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া বলতলা খালে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে ইয়াকুব আলী (১২) নামের এক শিক্ষার্থী মারা গেছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ইয়াকুব আলী বলতলাপাড়ার ইয়ারুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র।
স্থানীয়রা জানায়, ইয়াকুব আলী প্রতিদিনের মতো বন্ধুদের সঙ্গে তেঁতুলবাড়িয়া বলতলা খালে গোসল করতে নামে। এ সময় ইয়াকুবসহ তার তিন বন্ধু কচুরিপানায় আটকে যায়। দুই বন্ধুকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ইয়াকুব আলীর মরদেহ কচুরিপানার মধ্য থেকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম বলেন, তিন বন্ধু খালে গোসল করতে গিয়ে কচুরিপানায় আটকে যায়। দুই বন্ধু জীবিত উদ্ধার হলেও ইয়াকুব আলীকে দ্রুত স্থানীয় একটা ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গাংনী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আল মামুন জানান, পানিতে এক শিশুর মৃত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে