
ঈদের চতুর্থ দিনেও মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী বালিয়াটি জমিদারবাড়িতে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে অনেকে ভিড় করেছেন দেশের অন্যতম বড় এই জমিদারবাড়িতে।
প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার (ঈদের চতুর্থ দিন) বিকেল ৫টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জমিদারবাড়ির চারপাশে যেন এক মেলার আমেজ। বাইরে সারি সারি মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত যানবাহন, গেটের সামনে টিকিট কাউন্টারে হালকা জট। প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৩০ টাকা, শিশুদের জন্য ২০ টাকা।
সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ গ্রামের বাসিন্দা বাদল হোসেন পেশায় বেসরকারি চাকরিজীবী। পরিবারের চার সদস্যকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন বালিয়াটি জমিদারবাড়িতে। তিনি বলেন, ‘সারা বছর ব্যস্ততায় কোথাও যাওয়া হয় না। তাই ঈদের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে এসে খুব ভালো লাগছে।’
বালিয়াটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মীর সোহেল আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘ঢাকা ও মানিকগঞ্জ থেকে যাতায়াতব্যবস্থা আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে। সরকারের উদ্যোগে বিগত ১৫ বছরে এই জমিদারবাড়িতে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে পর্যটকের আগমন বাড়ছে।’
সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে শুধু বালিয়াটি জমিদারবাড়িতেই নয়, সাটুরিয়ার ধলেশ্বরী নদী ও নাহার গার্ডেনেও ভিড় করছেন পর্যটকেরা। বাড়তি নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।”
ঐতিহাসিক বালিয়াটি জমিদারবাড়ি
মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত জমিদারবাড়িটি দেশের বৃহত্তম আয়তনের জমিদার প্রাসাদগুলোর একটি। এটি প্রতিষ্ঠা করেন গোবিন্দ রাম সাহা, যিনি ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে লবণের ব্যবসা করে ধনসম্পদ অর্জন করেছিলেন।
বালিয়াটি জমিদারবাড়ি প্রায় ১৬ হাজার ৫৫৪ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা সাতটি দক্ষিণমুখী দালানের সমন্বয়ে নির্মিত। প্রাসাদটি বর্তমানে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষিত ও পরিচালিত হচ্ছে।
জমিদারবাড়ির তত্ত্বাবধায়ক ইব্রাহিম বলেন, ‘সারা বছরই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকেরা এখানে ঘুরতে আসেন। তবে ঈদ, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও শীতকালে পর্যটকের ভিড় বেশি হয়। টিকিটের দাম কম, আর ঢাকা থেকে কাছাকাছি হওয়ায় এখানে মানুষের আগ্রহ বেশি।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে