
সৌদি কোম্পানিতে বাংলাদেশি কর্মচারীর বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মাগুরার মহম্মদপুরে এসেছেন সে দেশের নাগরিক আবদুল আজিজ ও বিন সাইদ আল মাহান নামে আপন দুই ভাই। আজ বুধবার ঢাকা বিমানবন্দর থেকে উপজেলার বাবুখালী আফতাব উদ্দিন মাধ্যমিক স্কুল মাঠে তাঁদের বহনকারী হেলিকপ্টারটি অবতরণ করে।
সেখানে তাঁদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানোনো হয়। একজন কর্মচারীর বিয়ের দাওয়াতে দুই ভাই সৌদি থেকে এভাবে চলে আসায় অনেকেই অবাক হয়েছেন।
জানা যায়, মহম্মদপুর উপজেলার রায়পুর গ্রামের আকবর মোল্যার ছেলে আলী হোসেন দীর্ঘ সাত বছর ধরে সৌদি আরবের আল জুবাইল শহরের বাসিন্দা বিন সাইদ আল মাহানের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। চাকরির সুবাদে মালিকের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে আলী হোসেনের। তাঁর বিশ্বাস জয় করে প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন মাগুরার এই যুবক।
আগামী শুক্রবার সৌদিপ্রবাসী আলী হোসেনের বিয়ে। ওই দিন বিয়েতে বরযাত্রী হিসেবে অংশ নেবেন সৌদি নাগরিক এ দুই ভাই।
জানতে চাইলে প্রবাসী আলী হোসেন বলেন, ‘আমার কফিল (মালিক) আমার বিয়ের দাওয়াত খেতে আমাদের বাড়িতে এসেছেন। আমি ওই কোম্পানিতে ম্যানেজার পদে কর্মরত আছি। আমার আরেক ভাই আমার কফিলের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। কফিল আমাদের বাড়িতে এক সপ্তাহের মতো থাকবেন। পরে আমি ও আমার কফিল একসঙ্গে সৌদি আরবে ফিরে যাব।’
রায়পুর গ্রামের সোহানুর রহমান বলেন, ‘এর আগে কখনো কেউ আমাদের গ্রামে হেলিকপ্টারে করে আসেনি। আমাদের গ্রামের ছেলে আলী হোসেনের সঙ্গে তাঁরা এসেছেন। আমরা খুবই খুশি হয়েছি।’
সৌদি দুই নাগরিক বাংলাদেশে এসে এখানকার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছেন। বাঙালি বন্ধু আলী হোসেনের সঙ্গে বন্ধন মজবুত করতে এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে তাঁরা এ দেশে এসেছেন বলে জানিয়েছেন।
নিজ কর্মীর বাড়ি বাংলাদেশে আসতে পেরে সৌদির দুই নাগরিক বেশ উৎফুল্ল। এখানে আসতে পেরে তাঁরা খুব ভালো অনুভব করছেন। স্থানীয় মানুষের ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়েছেন বলেও জানান তাঁরা।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে