
মাগুরায় চাঁদা তুলতে তুলতেই মারা গেল একটি হাতি। আর সেই হাতি গিয়ে পড়ল এক ভ্যানের ওপর। এতে ওই ভ্যানচালক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ বুধবার সকালে মহম্মদপুর উপজেলার শ্যামনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হাতির মাধ্যমে চাঁদা তুলছিলেন এর মাহুত। একপর্যায়ে হাতিটি অসুস্থ হয়ে রাস্তার পাশে ভ্যানের ওপর গিয়ে পড়ে। ভ্যানসহ উল্টে হাতিটি রাস্তার ওপর পড়ে গেলে পুরো সড়ক বন্ধ হয়ে যায়। পরে মাহুতসহ উৎসুক জনতা হাতিটি সরাতে গেলে দেখেন যে হাতিটির কোনো নড়াচড়া বা শ্বাস-প্রশ্বাস নেই। কিছুক্ষণ পরে সবাই নিশ্চিত হন যে হাতিটি মারা গেছে। এ সময় রাস্তার দুই পাশে যানবাহন আটকা পড়ে। আহত ভ্যানচালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাৎক্ষণিক তাঁর নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মহম্মদপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মী এস টি মইনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে হাতিটিকে উদ্ধারে যায় মহম্মদপুর ফায়ার সার্ভিস। পরে স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা রাস্তা থেকে সরিয়ে হাতিটিকে এক পাশে রাখেন। হাতিটির মালিক পরে এটি মাটিচাপার ব্যবস্থা করবেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে