
মাদারীপুর জেলার শিবচরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মোটরসাইকেল নির্মাণাধীন সেতুর গর্তে পড়ে গেলে নিরব আহমেদ (২২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সাজ্জাদ হোসেন আশিক (২৩) নামে অপর এক মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চরশ্যামাইল-শিবচর আঞ্চলিক সড়কের কাজির মোড় এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত গোলদার দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নিরব আহমেদ রাজৈর উপজেলার শানেরপাড় এলাকার নূর আলম মোল্লার ছেলে এবং আহত আশিক শিবচর উপজেলার যাদুয়ারচর এলাকার আবুল হোসেন মোড়লের ছেলে। তাঁরা সম্পর্কে খালাতো ভাই।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় নিরব ও আশিক শিবচরের শিরুয়াইল এলাকায় তাঁদের মামা বাড়িতে আসেন। সেখান থেকে রাতে শিবচর বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। ওই সময় ঘন কুয়াশা ছিল। সড়কের কাজির মোড় নামক এলাকায় এলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি নির্মাণাধীন সেতুর গর্তে মোটরসাইকেলটি পড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা নিরব ও আশিককে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক নিরবকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আশিকুর রহমান বলেন, দুজনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। এদের মধ্যে নিরব আহমেদ আগেই মারা যান। অপর একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নিহত নিরবের মামা মো. টিপু মুন্সী বলেন, ‘রাতে আমার বাড়ি থেকে খাবার খেয়ে ওরা শিবচরের উদ্দেশে রওনা দেয়। এখানে রাস্তায় ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। কুয়াশার কারণে ওরা বুঝতে না পারায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নির্মাণকাজের এখানে নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকলে এ দুর্ঘটনা ঘটত না।’
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত গোলদার জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শিবচর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের একজনের মৃত্যু হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে