
মাদারীপুর জেলার শিবচরে একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাত এক কিশোরীর (১৬) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের মগড়া পুকুরপাড় এলাকায় খবির উদ্দিন মৌলভীর বাড়ির পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, বেলা ১১টার দিকে পুকুরে কিশোরীকে ডুবে যেতে দেখে এক শিশু। পরে বাড়িতে খবর দিলে স্থানীয়রা এসে পানির মধ্য থেকে কিশোরীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। খবর পেয়ে শিবচর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।
স্থানীয় হাবিব মুন্সী বলেন, ‘সকালে পুকুরপাড়ে এই মেয়েকে শুয়ে থাকতে দেখে আশপাশের লোকজন। দেখে মানসিক প্রতিবন্ধী বলে মনে হয় তখন। বেলা ১১টার দিকে বাড়ির ছোট ছেলেরা পানিতে ডুবে যেতে দেখে দৌড়ে বাড়িতে এসে খবর দেয়। আমি গিয়ে পানির মধ্যে থেকে মৃত উদ্ধার করি।’
শিবচরের দত্তপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘পুকুরের পানি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে