
লক্ষ্মীপুরে সিএনজিচালিত দুটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। নিহত অটোরিকশাচালক হাসান (৩০) রামগতি উপজেলার সবুজ গ্রামের নুর সোলাইমান হোসেনের ছেলে। আজ শনিবার ভোররাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মারা যান হাসান। এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কমলনগর উপকূল সরকারি কলেজের সামনে দুই অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এ সময় অটোরিকশাচালক হাসানসহ ছয়জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ ভোরে হাসপাতালে মারা যান তিনি। এ ছাড়া অন্য আহত ব্যক্তিরা সদর হাসপাতাল ও কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাজিরহাট থেকে যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুরের দিকে আসছিলেন অটোচালক হাসান। অটোরিকশাটি উপকূল সরকারি কলেজের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় হাসানসহ ছয়জন আহত হন।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুই অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক হাসান নিহত হয়েছেন। আরও কয়েকজন আহত হন। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে