
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে জেলে নৌকায় বিস্ফোরণে ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রামগতি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পাশে নদীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় নোয়াখালীতে এবং ঢাকা জাতীয় বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে আমজাদ হোসেন ও ফারুক হোসেন নামের দুজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন, রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কমনাশীষ।
এ চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে চারজনকে আনা হয়। এদের শরীরের ৫০ থেকে ৬০ ভাগ পুড়ে গেছে। পরে অবস্থার অবনতি দেখে তাদের ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও জেলেরা জানায়, রামগতি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পাশে নদীতে নৌকায় রান্নার কাজ করছিলেন জেলেরা। হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এতে নৌকায় থাকায় ৬ জেলে অগ্নিদগ্ধ হন।
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরনে ৬ জন অগ্নিদগ্ধ হয়। তবে সিলিন্ডারটি মেয়াদ উত্তীর্ণ কিনা নাকি নিম্মমানের হওয়ায় এই দূর্ঘটনা, তা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে