
ছয় দিন নিখোঁজের পর খুলনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক বদরুল হাসানকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার নগরীর লবণচরা দারোগার লেন থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বদরুল খুলনা সরকারি হাজী মোহাম্মদ মুহসীন কলেজের শিক্ষার্থী। পাশাপাশি নগরীর শেখপাড়া এলাকায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পার্টটাইম চাকরি করেন তিনি।
লবণচরা থানার তদন্ত কর্মকর্তা পলাশ কুমার দাস তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোরে নগরীর লবণচরা থানার দারোগার লেনের সুলতানিয়া আহম্মেদ জামে মসজিদের সামনে বদরুল হাসানকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।’
তিনি বলেন, ‘তবে গত ছয় দিন তিনি কোথায়–কী অবস্থায় ছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি। তিনি সুস্থ হলে তাঁর সঙ্গে কথা বললে এ বিষয়গুলো জানা যাবে। আমরা তার সুস্থ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছি।’
স্থানীয়রা জানান, আজ ভোরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে মসজিদের মুসল্লিরা পুলিশকে লবণচরা থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫-৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সুমিত পাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বদরুল হাসানের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। সে ভালো আছে। তবে সে কয়েক দিন ভিন্ন পরিবেশে ছিল, তার কারণে সে কিছুটা ট্রমার মধ্যে চলে গেছে। তার ট্রমা কাটানোর জন্য সেভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর ছাত্র আন্দোলন সমন্বয়ক বদরুল হাসান খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গার বাসা থেকে বের হন। এরপর নগরীর ময়লাপোতা এলাকায় বন্যার্তদের জন্য ত্রাণসামগ্রী প্যাকেট করেন। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরদিন তাঁর স্ত্রী (৬ সেপ্টেম্বর) সদর ও সোনাডাঙ্গা থানায় দুটি ডায়েরি করেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে