
এনটিআরসিএতে বৈষম্যহীন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আল কোরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, দা’ওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আরবি সাহিত্য ও আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো, মাদ্রাসায় প্রভাষক পদে আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে অন্যান্য বিষয়ের মতো আরবি ও ইসলাম শিক্ষাসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতেও স্নাতকোত্তর ডিগ্রির বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করে শুধু স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রিকেই ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে নির্ধারণ করা, সহকারী মৌলভি পদে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে বিএড/এমএড ডিগ্রির পূর্বশর্ত ছাড়াই ১০ম গ্রেডে বেতনপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার ব্যাপকতা ও মানদণ্ড বিবেচনায় কামিল স্তরে মুহাদ্দিস, মুফাসসির, আদিব ও ফকিহ বিষয়ে অন্তত চারজন করে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া। এ ছাড়া এনটিআরসিএর বিগত সার্কুলারে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আল ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ’ বিভাগের নাম উল্লেখ থাকলেও বর্তমানে বিভাগটির নাম পরিবর্তিত হয়ে ‘আল ফিকহ অ্যান্ড ল’ হওয়ায় নতুন সার্কুলারে তা সংযোজন করা হয়নি। এ কারণে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান। পরে তাঁরা উপাচার্য, সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি ও ডিনের কাছে এ-সংশ্লিষ্ট স্মারকলিপি দেন।
মানববন্ধনে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, চব্বিশের আন্দোলনের মাধ্যমে বৈষম্য দূর করার যে স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। বৈষম্যকারীরা এখনো স্তরে স্তরে বসে থেকে ইসলাম ও মাদ্রাসাশিক্ষার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এসব বৈষম্যমূলক শর্ত বাতিল না করা হলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধভাবে আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
ইবির বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইট বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা শুধু জুলাই মাসেই রক্ত দেয়নি। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ থেকে শুরু করে ১৯৪৭, ১৯৬৯, ১৯৭১ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের আন্দোলন পর্যন্ত আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসাশিক্ষার্থীরা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু তাঁরা কি শুধু রক্ত দিয়েই যাবেন আর বারবার বৈষম্যের শিকার হবেন? আন্দোলন আরও জোরদার করে এনটিআরসিএকে দাবি মানতে বাধ্য করতে হবে এবং দাবি না মানা হলে সংশ্লিষ্টদের পদত্যাগে বাধ্য করা হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে