
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতাল থেকে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে আটক করে। তিনি ভুয়া চিকিৎসক বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
আটক যুবকের নাম এস এম মেহেদী হাসান (২৭)। তিনি সোনাডাঙ্গা থানার ছোট বয়রা এলাকার হাসানুর রহমানের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রাত ৯টার দিকে মেহেদী হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে ঘোরাফেরা করছিলেন। তাঁকে দেখে হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তাঁর অহেতুক ঘোরাফেরা কারণ জানতে চাইলে তিনি নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেন। পরে পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে তাঁকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আটকে রাখে। এ সময়ে তার কাছ থেকে একটি ভুয়া আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
ভুয়া চিকিৎসক আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, রাত পৌনে ১১টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মেহেদীকে থানায় সোপর্দ করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ দিলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে