খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (খুমেক) চতুর্থ তলার সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে অজ্ঞাতনামা (৪৮) এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। তবে তাঁর পরিচয় এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত করা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের অর্থোপেডিকস বিভাগের চতুর্থ তলার সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় ওই যুবক হঠাৎ পড়ে যান। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, মৃত ওই যুবককে এর আগে রাত সাড়ে ১২টার দিকে রূপসা ব্রিজের টোল প্লাজার পাশ থেকে আজিজুল ও ওসমান নামের দুই ব্যক্তি বিষপান করা অবস্থায় উদ্ধার করেন। রাত ১টা ৫৮ মিনিটে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৫ নম্বর ইউনিটের (১৯-২০) ওয়ার্ডে রাখা ছিল। পরে ওই যুবক হেঁটে বের হয়ে অর্থোপেডিকস বিভাগের সিঁড়ির দিকে গেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, ‘সিঁড়ি থেকে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এমন সংবাদ শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তাঁর পরিচয় শনাক্তে সিআইডি এবং পিবিআইয়ের বিশেষজ্ঞ দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে মৃত ওই যুবকের পরিচয় শনাক্ত করবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে