যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দোহাকুলা ইউনিয়নের ভিজিএফের চাল না পাওয়া লোকদের মানববন্ধনে হামলার ঘটনা ঘটে। আজ রোববার দুপুরে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে ৮০ জন দরিদ্র মানুষ মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে বাঘারপাড়া উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ ও তাঁর অনুসারীরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের মারপিট করা হয়।
তখন উপজেলা পরিষদ চত্বরে আতঙ্কজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে বাঘারপাড়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ও হামলার অভিযোগে দুজনকে আটক করে। হামলায় বাঘারপাড়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আজগর আলী আহত হন। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, গত ঈদুল ফিতরের আগে ভিজিএফের আওতায় ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার জন্য বাঘারপাড়া উপজেলার দোহাকুলা ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডে ২০০ জন দরিদ্র মানুষের তালিকা করা হয়। এই তালিকায় থাকা ৮০ জনকে স্লিপ ও চাল দেওয়া হয়নি। দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ করা চাল আত্মসাৎ কারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি করেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।
বাঘারপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘এবিষয়ে অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মানববন্ধনে হামলাকারীদের বিষয়ে বাঘারপাড়া থানার ওসি শাহাদত হোসেন বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ সময় নয়ন ও ফিরোজ নামে দুইজনকে আটক করে। এ ব্যাপারে সবরকম আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
দোহাকুলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মোতালেব তরফদার বর্তমানে ভারতে থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ফিরোজ হাসান বলেন, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন।
বাঘারপাড়া উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রউফকে ফোন দিলে তিনি এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজী হয়নি। তবে ঘটনার সময়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি যাকে মেরেছি, আজগর আমার ভাইপো হয়। এ নিয়ে তিনি আর মন্তব্য করেননি।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে