
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বাড়ির রাস্তা নিয়ে চাচা-ভাতিজার বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের সাদিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সাদিপুর গ্রামের কুতুব উদ্দিন ও তাঁর ভাতিজা রিপন মিয়ার মধ্যে বাড়ির রাস্তা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। আজ বিরোধপূর্ণ জায়গায় রিপন মিয়া কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষে লোকজন বাধা দেয়। এরই জেরে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুম বলেন, চাচা-ভাতিজার মধ্যে বাড়ির চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলছিল। যার জের ধরে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঞা বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে