বাগেরহাটের মোল্লাহাটে বালু বোঝাই ট্রলির ধাক্কায় ভ্যানচালক আজাহার হাওলাদার (৪৫) ও তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে মোল্লাহাট উপজেলা সড়কে শিকদার মার্কেটের সামনে একটি বালুবোঝাই ট্রলি পেছন থেকে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এতে ভ্যানচালক ও ভ্যানে থাকা তাঁর মা রাহিলা বেগম (৬০) গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাহিলা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। ভ্যান চালক আজাহার হাওলাদারকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরও মৃত্যু হয়।
আজাহার হাওলাদার হাওলাদার মোল্লাহাট উপজেলার ভান্ডারখোলা গ্রামের মৃত আকব্বর মোল্লার ছেলে।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আশরাফুল আলম বলেন, বালুবোঝাই ট্রলির ধাক্কায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে