
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বানিয়াচং দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়নের শিলাপাঞ্জা গ্রামের ওমানপ্রবাসী মো. মতিউর রহমানের বাড়ির পাশ থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে ওমানপ্রবাসী মো. মতিউর রহমানের বাড়ির পাশের একটি ডোবার কাছে মাটি কাটার কাজ করতে গিয়ে মাটির ভেতরে সন্দেহজনক বস্তুটি দেখতে পান এলাকাবাসী। পরে কাছে গিয়ে সেটি গ্রেনেড বলে সন্দেহ হলে তাঁরা বিষয়টি দ্রুত বানিয়াচং থানা-পুলিশ ও স্থানীয় সেনাবাহিনীর ক্যাম্পকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রেনেডটি নিরাপদে উদ্ধার করেন। উদ্ধার করা গ্রেনেডের গায়ে ‘CCS-60C TEAR GAS HAND GRENADE’ লেখা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, গ্রেনেড উদ্ধারের পর এলাকাটি নিরাপত্তার আওতায় নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ইউনিটটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে