গাজীপুরে সড়ক পার হওয়ার সময় বাস চাপায় অজ্ঞাত এক যুবক নিহত হয়েছেন। এর জেরে তিন বাসে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ লোকজন। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মহানগরীর বাসন থানা এলাকার কলম্বিয়া গার্মেন্টস সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এসব ঘটনা ঘটে।
যুবক নিহত ও বাসে আগুন দেওয়ার তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি তাৎক্ষণিক নিহতের নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের বাসন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নন্দলাল রায় জানান, গতকাল রাতে বলাকা পরিবহনের একটি বাস ঢাকা থেকে গাজীপুরের দিকে যাচ্ছিল। বাসটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কলম্বিয়া গার্মেন্টস এলাকায় এক যুবককে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এরপর উত্তেজিত লোকজন বলাকা পরিবহনের তিনটি বাসে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।
পরিদর্শক নন্দলাল বলেন, ‘পুলিশ আসার আগেই স্থানীয়রা নিহতের মরদেহ নিয়ে গেছে। আমরা ঘটনাস্থলে এসে কোনো মরদেহ পাইনি। মরদেহ কোথায় নিয়ে গেছে তা কেউ বলতে পারছে না।’
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ্ আল আরেফিন জানান, বলাকা পরিবহনের বাস চাপায় একজন যুবক নিহত হয়েছেন। এতে বাসে আগুন দিয়েছেন উত্তেজিত মানুষ। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলের গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে